বিএনপি খড়কুটো ধরে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে: তথ্যমন্ত্রী

26

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি তিস্তা চুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পায়তারা করছে। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী তিস্তা চুক্তির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অনুমোদন লাগে। এটি বিএনপি বুঝেও না বুঝার ভান করছে। আসলে বিএনপি কোনো ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না, খড়কুটো ধরেই ইস্যু তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বেগম জিয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রথমত বেগম খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পাননি, আদালত কর্তৃক খালাসও পাননি। প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে আইনগতভাবে তার শাস্তি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন। আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির একটা অভিনন্দন দেয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিএনপি সেই ধন্যবাদ দিতে ব্যর্থ হয়েছে, ধন্যবাদ দেওয়ার সংস্কৃতিটা তারা লালন করে না।

ড. হাছান বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশ পরিপূর্ণভাবে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ফাইনাল রিকমেন্ডেশন দিয়েছে জাতিসংঘ। বড়ই তাজ্জবের বিষয়, জাতির জীবনে এত বড় একটা সফলতা এলো বিএনপি নেতারা এটি নিয়ে অভিনন্দন দিলেন না, তারা সরকারকে অভিনন্দন দেয়া তো দূরের কথা, এই জাতিকে অভিনন্দন দেয়া, সেটি দিতেও রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে।’

তথ্য মন্ত্রণালয় তথ্য প্রদান বা সরকারের কাজগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরা ছাড়াও সম্প্রচারের কাজটিও করে আসছে, এইজন্য আমরা চাচ্ছিলাম, এই মন্ত্রণালয়ের নাম কাজের সাথে সংগতিপূর্ণ হোক এবং সেই কারণে আমরা নাম পরিবর্তন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় করার জন্য আমরা প্রস্তাব করা হয়েছিলো বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পরিচালনা করছিলেন, যখন এলোকেশন অভ বিজনেস ঠিক করা হলো তখন এই মন্ত্রণালয়ের নাম দেয়া হয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে এই মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে তথ্য মন্ত্রণালয় হয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন যেহেতু সম্প্রচারের কাজটি দেখভাল করি করা আমাদের দায়িত্ব, সেই কারণে কাজের সাথে মিল রেখেই নাম পরিবর্তিত হয়েছে। এছাড়া ভারত ও পাকিস্তানে এই মন্ত্রণালয়ের নাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।